নোটিশ
সংবাদকর্মী আবশ্যক: সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি জরুরী ভিত্তিতে নেওয়া হবে। আগ্রহীরা  যোগাযোগ: ০১৭২৯২৫৮৬৮০ । অভজ্ঞি সম্পন্ন এবং কাজরে প্রতি দায়িত্বশীল প্রার্থীদের অগ্রাধীকার দেওয়া হবে।
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন ১৯

ঈদুল আজহা নিয়ে কিছু কথা

এহিয়া আহমেদঃ / ১২৮ বার
সময়: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০

বিজ্ঞাপন ২০

মুসলিম উম্মাহ’র ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে প্রধান উৎসব হচ্ছে ঈদুল আজহা। যা কোরবানির ঈদ কিংবা বকরা ঈদ নামে বহুল পরিচিত। এই উৎসবকে ঈদুজ্জোহাও বলা হয়।
প্রতিবছর হিজরী সনের ১২ তম মাস পবিত্র জিলহজ্জ মাসের ১০ম তারিখে বিশ্বব্যাপি মুসলমানরা এই ঈদ উৎসব পালন করে থাকেন।
পবিত্র হজ্জের মাসের উক্ত ঈদ উৎসবটিতে সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর সামর্থ্যানুযায়ী কোরবানি করা ওয়াজিব। সেক্ষেত্রে কোরবানি কি?কেন? কোথায় থেকে বা কবে থেকে এর প্রচলন শুরু হলো? তা জানাও আবশ্যক।
ঈদ উল আযহা বা ঈদ উল আজহা বা ঈদ উল আধহা, আরবি: عيد الأضحى‎, প্রতিবর্ণী. Eid-al adha, এর অনুবাদ ‘ত্যাগের উৎসব’। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের একটি হলো এটি। ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’।
কোরবানি মূলত হযরত ইবরাহিম (আঃ)-এর সুন্নাত। মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর জীবদ্দশায় থেকে এর প্রচলন শুরু হয়।

ইবরাহিম (আঃ) একদা স্বপ্নে আল্লাহর পক্ষ থেকে আদেশ পেলেন সবচেয়ে প্রিয় বস্তু আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করার জন্য। আদেশানুযায়ী তিনি ১০টি উট কোরবানি করলেন। পুনরায় তিনি আবারো একই স্বপ্ন দেখলেন। ইবরাহিম (আঃ) এবার ১০০টি উট কোরবানি করেন। এরপরেও তিনি একই স্বপ্ন দেখলেন এবং ভাবলেন, আমার কাছে তো এই মূহুর্তে প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আঃ) ছাড়া আর কোনো প্রিয় বস্তু নেই।

তখন তিনি পুত্রকে কোরবানির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিসহ আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। এ সময় শয়তান আল্লাহর আদেশ পালন করা থেকে বিরত করার জন্য ইবরাহিম (আঃ) ও তার পরিবারকে প্রলুব্ধ করেছিল, এবং ইবরাহিম (আঃ) শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মেরেছিলেন। শয়তানকে তার প্রত্যাখ্যানের কথা স্মরণে হজ্জের সময় শয়তানের অবস্থানের চিহ্ন স্বরূপ নির্মিত ৩টি স্তম্ভে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

যখন ইবরাহিম (আঃ) আরাফাত পর্বতের উপর তার পুত্রকে কোরবানি দেওয়ার জন্য গলদেশে ছুরি চালানোর চেষ্টা করেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়ে দেখেন যে তার পুত্রের পরিবর্তে একটি প্রাণী কোরবানি হয়েছে এবং তার পুত্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। ইবরাহিম (আঃ) আল্লাহর আদেশ পালন করার দ্বারা কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এতে সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ তা’আলা ইবরাহিম (আঃ) কে তার খলিল (বন্ধু) হিসাবে গ্রহণ করেন।
সে অনুযায়ী ঈদের দিনের ফজিলতগুলোর মধ্যে কোরবানী হচ্ছে সবচেয়ে বড় ফজিলত।

এ দিনটিতে মুসলমানেরা ফযরের নামাযের পর ঈদগাহে গিয়ে দুই রাক্বাত ঈদুল আযহার ওয়াজিব নামাজ আদায় করে ও অব্যবহিত পরে স্ব-স্ব আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ ও উট আল্লাহর নামে কোরবানি করেন।

বিজ্ঞাপন ২০


এই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন ২১

পুরাতন সংবাদ

বিজ্ঞাপন ২২

প্রযুক্তি সহায়তায় আল-ফাহাদ কম্পিউটার