নোটিশ
সংবাদকর্মী আবশ্যক: সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি জরুরী ভিত্তিতে নেওয়া হবে। আগ্রহীরা  যোগাযোগ: ০১৭২৯২৫৮৬৮০ । অভজ্ঞি সম্পন্ন এবং কাজরে প্রতি দায়িত্বশীল প্রার্থীদের অগ্রাধীকার দেওয়া হবে।
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন ১৯

নবীগঞ্জে দুটি পরিবারকে গৃহবন্দির ন্যায় একঘরে করে রাখা হয়েছে, প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

বুলেটিন রিভিউ ২৪ ডটকম / ১৩১ বার
সময়: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

বিজ্ঞাপন ২০

নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউপির অন্তর্ভুক্ত কারখানা গ্রামে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল দুটি পরিবারকে একঘরে গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

বুধবার ( ১ জুলাই) নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঐ এলাকার মৃত. আব্দুল হেকিমের ছেলে মো. আব্দুল আউয়াল নামের এক ব্যক্তি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগের কথা প্রকাশ করেন।

ব্যক্তবে বলা হয়, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল পূর্ব শত্রুতার সূত্র থেকে ও অবৈধভাবে ভূমি দখলে বাঁধা দেওয়ার কারণে পরিকল্পিত ভাবে তাদের দুটি পরিবারকে গৃহবন্দির ন্যায় একঘরে করে রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল আউয়াল নাম প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় মৃত. হাজ্বী আকবর উল্লাহর ছেলে খালিছ মিয়া, আবু সালেহ জীবনের নেতৃত্বে আমার জমি জোরপূর্বক দখলে প্রতিবাদ এর প্রেক্ষিতে আমি ও আমার চাচার পরিবারকে সামাজিকভাবে বিভ্রান্তির স্বীকার করতে গ্রাম্য একটি চক্র গঠনের মাধ্যমে নানান অপবাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এমনকি গ্রাম্য মোড়ল খালিছ মিয়া গত (১৫ জুন) রাত ৮টায় তার নিজ বাড়ীতে গ্রাম্য পঞ্চায়েত জমায়েত করে খালিছ মিয়া, আব্দুল ছালিক, আব্দুল মোতালিব, আতাউর, ফরহাদ, জুলহাদ, শাফিল, শ্যামল, শিমল, বোলন, মতক্কির, সোহেল, লেবু মিয়া গংদের নিয়ে আমার অনুপস্থিতির মধ্যদিয়ে সামাজিক বিচার কার্য গঠন করে রায় প্রদান করে।

এতে খালিছ মিয়া মিয়া মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট নাটকে আমার পরিবারকে দোষারোপ সৃষ্টি করিয়া আমি আব্দুল আউয়াল, আমার পরিবার ও আমার চাচা ফয়জুর রহমান সহ দুটি পরিবারকে পঞ্চায়েত থেকে বিতাড়িত (পাঁচের বাদ) এর সিদ্ধান্ত ও রায় ঘোষণা করে দুটি পরিবারকে একঘরে করে রাখা হয়।

পরে খালিছ মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল যার নম্বর ০১৭১৯-১৬২৮০৮ থেকে আমার চাচা ফয়জুর রহমান এর ব্যবহৃত মোবাইল যার নম্বর ০১৭৫৫-৮৬৪৩৭২ ফোন করে খালিছ মিয়া জানান আমাদের দুটি পরিবারকে পঞ্চায়েত থেকে বিতাড়িত (পাঁচের বাদ) করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১৮ জুন আমার কৃষিকাজে ব্যবহৃত দুটি নৌকা সরকারি খালে রাখা থাকলে মোড়ল খালিছ মিয়া, আবু ছালেহ ও আতাউর গংদের নেতৃত্বে দুটি নৌকা ভেঙে দেয়। জোরপূর্বক ভাবে বোয়াইল্লা নামক নদীতে থাকা আমার চাচার ব্যবহৃত জাল তুলে বাঁশ ভেঙে ফেলে। তার কিছুক্ষণ পরে আমার চাচার ঘর দরজা ভেঙে পরিবারের মহিলা সদস্যদের শ্লীলতাহানি ও মারপিট করে।

বর্তমানে একঘরে করে রাখা আমাদের দুটি পরিবারের সদস্যদেরকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি প্রর্দশন, সরকারি সড়কদিয়ে চলাচলে বাঁধা, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবীসহ ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগকারী বলেন।

ব্যাপারে গত ২৮ জুন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা করেছেন বলে অভিযোগকারী জানান। এমনকি স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক ও থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পালের
সাথে যোগাযোগ করা হলে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এ ব্যাপারে যথা সম্ভব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজ্ঞাপন ২০


এই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন ২১

পুরাতন সংবাদ

বিজ্ঞাপন ২২