নোটিশ
সংবাদকর্মী আবশ্যক: সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি জরুরী ভিত্তিতে নেওয়া হবে। আগ্রহীরা  যোগাযোগ: ০১৭২৯২৫৮৬৮০ । অভজ্ঞি সম্পন্ন এবং কাজরে প্রতি দায়িত্বশীল প্রার্থীদের অগ্রাধীকার দেওয়া হবে।
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন ১৯

প্রহরীর ধাওয়ায় ছাদ থেকে লাফিয়ে পরে মাদ্রাসাছাত্র আহত

মোঃ রাসেল রানা,বরগুনা জেলা প্রতিনিধি / ৭৪ বার
সময়: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বিজ্ঞাপন ২০

বরগুনার বামনা উপজেলা সদরের দারুসুন্নত হাফিজী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. আমান উল্লাহ(১৬) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বামনা বাজারে চোর সন্দেহে ধাওয়া করলে সে প্রাণে বাঁচতে পশ্চিম সফিপুর গ্রামের নির্মানাধিন তিনতলা বাড়ীর ছাদ থেকে লাফিয়ে পরে গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আমান উল্লাহ বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের নিজাম মল্লিকের ছেলে।

এতে তার হাত ভেঙ্গে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বামনা থানা পুলিশ তাকে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে এমতাবস্থা গুরুতর দেখে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এব্যাপারে বামনা থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা শিকার করে জানান, রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় বামনা বাজারের নৈশ প্রহরী রাসেল গাজী একটি ছেলেকে সন্দেহজনকভাবে বাজারের ঘুরাঘুরি করতে দেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ছেলেটি ওই নৈশ প্রহরীর কাছ থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

প্রহরীরা তাকে চোর চোর ভেবে ধাওয়া করে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তারাও তাকে ধাওয়া দিলে সে পশ্চিম সফিপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির হাওলাদারের নির্মানাধিন একটি তিনতলা ভবনের ছাদে ওঠে। পরে সে সেখান থেকে লাফিয়ে পরে গুরুতর আহত হয়। টহল পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ছেলেটিকে উদ্ধার করে প্রথমে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

তিনি আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তার নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা সঠিকভাবে বলতে পারেনি। নৈশ প্রহরীরা ছেলেটির কাছ থেকে একটি কাচি উদ্ধার করেছেন।

এদিকে গুরুতর ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর সহপাঠি মো. আবুল কাশেম বলেন, আমান উল্লাহ খুব ভালো ছেলে। গত শনিবার রাত ১০টার পরে আমরা একসাথে ঘুমাতে যাই। ভোর ৪টার দিকে ঘুমথেকে উঠে দেখি সে তার বিছানায় নেই। পরে শিক্ষকদের জানালে মাদ্রাসার ভিতর বিভিন্ন জায়গায় তাকে খোজাখুজি করে। তবে আমান উল্লাহ’র মাঝে মাঝে রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কথা বলা ও হাটার অভ্যাস ছিলো।

আমতলী গ্রামের দারুসুন্নত হাফিজি মাদ্রাসার দ্বায়িত্বরত শিক্ষক হাফেজ মো. আল-আমীন জানায়, আল-আমীন খুব শান্ত স্বভাবের ছেলে। ভোর রাতে তাকে খুজে না পাওয়ায় আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। সকালে যখন খবর পেলাম একটি ছেলে বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পরেছে তখন খোঁজ নিয়ে দেখি সেই ছেলেটি আমাদের মাদ্রাসার ছাত্র। পরে আমরা ওর পরিবারের লোকজনকে খবরদিলে রবিবার সকালেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন ২০


এই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন ২১

পুরাতন সংবাদ

বিজ্ঞাপন ২২

প্রযুক্তি সহায়তায় আল-ফাহাদ কম্পিউটার