নোটিশ
সংবাদকর্মী আবশ্যক: সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি জরুরী ভিত্তিতে নেওয়া হবে। আগ্রহীরা  যোগাযোগ: ০১৭২৯২৫৮৬৮০ । অভজ্ঞি সম্পন্ন এবং কাজরে প্রতি দায়িত্বশীল প্রার্থীদের অগ্রাধীকার দেওয়া হবে।
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন ১৯

ময়ূরপঙ্খী নায়ের বাইচ দর্শনে ঢাকার মেয়র এলেন মৌলভীবাজারের কুশিয়ারা তীরে

ফাহাদ আহমদঃ / ৪৪ বার
সময়: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০

বিজ্ঞাপন ২০

কুশিয়ারা নদীর দুই পাড়ে সবুজের সমারোহ। তার মাঝে হাজার হাজার মানুষের কোলাহল। নদীর বুকে রঙ-বেরঙ্ঙের নৌকা আর বৈঠার সাথে মাঝি-মাল্লার সারি বাধা পোষাকে রঙ্রে বাহার। এর মাঝে বাতাসে ভাসছে শাহ আব্দুল করিমের গানের সুর ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খি নায়। সুরের আবহে কুশিয়ারা তীরের গ্রামীণ জনপদে বাঙ্গালী লোকজ সংস্কৃতির রূপ বৈচিত্র্যে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে নবীন-প্রবীণ প্রজন্ম। আবাহমান বাংলার রূপ পিপাসু মানুষের আয়োজনে কুশিয়ারা নদীর নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গ্রাম বাংলার আদি সংস্কৃতির রূপ-লাবণ্যের দৃশ্যায়ন হয় কুশিয়ারা তীরে। ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের হামরকোণা-ব্রাহ্মণগ্রামের যুবসমাজ আয়োজিত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার নান্দনিক রূপ, রস উপভোগে শামিল হন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতকিুর ইসলাম দম্পতি।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় সিলেট বিভাগের ৪ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকাগুলো মধ্যে রয়েছে নবীগঞ্জের ছোট বাখোইড় গ্রামের শাহ’র তরী, সুনামগঞ্জের আলহাগদী গ্রামের সোনার বাংলা, সুনামগঞ্জের তিলক সাহারপাড়ার উড়াল পবন, বাগাউড়ার পঙ্খীরাজ, হবিগঞ্জের করিমপুর গ্রামের জয় পবন, সিলেটের শরিষপুর গ্রামের বাংলার তুফান, নবীগঞ্জের বাঘরাজ, ওসমানিনগরের বাংলার রকেট, মৌলভীবাজারের অন্তেহরির অজ্ঞান ঠাকুরের নৌকা, নবীগঞ্জের হালিতলা গ্রামের শাহজালালের তরীসহ ১৪টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান হয় সাজু শাহ’র তরী, রানার্স আপ হয় সোনার বাংলা তরী ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে উড়াল পবন নামের নৌকা। নৌকাবাইচ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে বিজয়ী কে একটি ফ্রিজ ও রানার্স আপ ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী নৌকার মালিক কে একটি করে ২৪ ইঞ্চি এলিডি টিভি পুরস্কার দেওয়া দেওয়া হয়।
নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় হামরকোণা গ্রামের ক্রীড়ানুরাগী, সমাজসেবি অলিউর রহমান। খলিলপুর ইউপি আ’লীগ সহসভাপতি, সাবেক মেম্বার আশরাফ আলী খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুর ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মামুনূর রশীদ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অরবিন্দ পোদ্দার বাচ্চু, যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাবেদ আহমদ রনি, খলিলপুর ইউপি আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন প্রমুখ।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে তারা হলেন হামরকোণা গ্রামের আলী হায়দর, নছির আহমদ, খালেদ আহমদ, নতুনবস্তির রাজন আহমদ, ব্রাহ্মণগ্রামের মাহীসহ অনেকে।

প্রধান অতিথি মেয়র আতিকুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যেবাহী খেলা নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন লোকজ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আমাদের শিকড় সন্ধানী সংস্কৃতিকে পূণরুজ্জীবিত করতে হবে। নৌকাবাইচের মতো প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাসে ক্ষয়িষ্ণু যুবসমাজ কে সুপথে ফিরিয়ে আনার একটি সুন্দর পথ। যারা সংস্কৃতি চর্চা করে তারা বিপথগামী হতে পারে না। তিনি আরও বলেন নৌকার গিয়ার একটি শুধু সামনে দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ আ’লীগের প্রতিক নৌকা। আ’লীগের নৌকার কাড়ালি শেখ হাসিনাও দেশ ও দেশের মানুষকে উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার মিশন-ভিষণে দেশ পরিচালনা করছেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ান নৌকাকে ২৫ হাজার, রানার্স আপকে ১৫ হাজার ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে ১০ হাজার টাকা উপহার দেন।

বিজ্ঞাপন ২০


এই বিভাগের আরও খবর

বিজ্ঞাপন ২১

পুরাতন সংবাদ

বিজ্ঞাপন ২২

প্রযুক্তি সহায়তায় আল-ফাহাদ কম্পিউটার